> রুমানা এখন কানাডায়, স্বপ্ন দেখছেন দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবার
> টরন্টোর স্কুলে নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া নিয়ে বিতর্ক
> চাকরী সম্পর্কে তথ্য দিতে নতুন ওয়েবসাইট করছে কানাডা সরকার
> রাস্তায় গাড়ী পার্কিং এর আগাম পারমিট ব্যবস্থা চালু হচ্ছে
> শিশুশিক্ষার ভিত্তি মজবুতে ইংল্যান্ডে নতুন উদ্যোগ
> প্রবাসী-আয়ে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি মাত্র ৬%
আগামী ৩ বছর পর ব্রিটেনের জনসংখ্যা হবে ৭০ মিলিয়ন
নতুনদেশ ডটকম
জনসংখ্যা বৃদ্ধি সংক্রান্ত এক জরিপ থেকে প্রাপ্ত তথ্য হঠাত্ করেই ভাবিয়ে তুলেছেন ব্রিটেনের চিন্তাবিদদের। প্রতিবেদনে জনসংখ্যা অপ্রত্যাশিতভাবে বৃদ্ধির জন্য ইমিগ্রেশনের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বর্ধিত জন্মহারকেই দায়ী করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এ রকম চলতে থাকলে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশটির জনসংখ্যা ৭০ মিলিয়নে পৌঁছবে।
দুই বছর আগে সরকার প্রদত্ত এক তথ্য থেকে জানা যায়, ২০২৯ সাল নাগাদ ব্রিটেনের জনসংখ্যা ৭০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু বর্তমান হিসাব বলছে ভিন্ন কথা। দেশটিতে বর্ধিত জন্মহারের সঙ্গে প্রচুর সংখ্যক ইমিগ্রেন্টের স্থায়ী হওয়ার কারণে আগামী তিন বছরের মধ্যেই জনসংখ্যা রেকর্ড সংখ্যকে পৌঁছবে। এছাড়া ২০১৫ সালের মধ্যে ব্রিটেনের নিট ইমিগ্রেশন দাঁড়াবে ১ লাখ ৬৭ হাজারে। ‘হাউস অব কমন্স’ বলেছে, ২০২৬ সালের মধ্যে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৭০ .৪ মিলিয়নে। কিন্তু এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা প্রকাশ করেছেন ভিন্নমত। তারা বলেছেন, বর্তমানে ব্রিটেনে ৬২ .৮ মিলিয়ন মানুষ বাস করছে, যা ২০১৬ সালের মধ্যে ৬৫ মিলিয়নে পৌঁছবে। কিন্তু ২০২০ সালে এই সংখ্যা ৬৭ মিলিয়ন হলেও ২০২৪ সাল নাগাদ তা আরও দুই মিলিয়ন বেড়ে ৬৯ মিলিয়নে দাঁড়াবে। আর এই বর্ধিত জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে হিমশিম খেতে হবে যুক্তরাজ্য সরকারকে। এই বর্ধিত জনগণের জন্য অতিরিক্ত আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সঙ্গে বাড়াতে হবে পাবলিক সার্ভিস। ব্যবস্থা করতে হবে খাদ্য নিরাপত্তার। অন্য একটি জরিপে দেখানো হয়েছে ব্রিটেনের এক -তৃতীয়াংশ জনগণ ইমিগ্রেন্ট, যাদের বেশিরভাগই নন -ইউরোপিয়ান এবং জন্মহার বৃদ্ধির জন্য তারাও বিশেষভাবে দায়ী। এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে মাইগ্রেশন লেভেল বছরে ২ লাখ ৪০ হাজার, সেখানে নিট মাইগ্রেশন কমে গেলেও বছরে গড়ে থাকবে ১ লাখ ৮০ হাজার। সে হিসাবে সরকার প্রদত্ত জনসংখ্যার হিসাবটিই প্রযোজ্য।
এদিকে কনজারভেটিভরা তাদের লেবার পলিসি চালানোর জন্য ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ ৮৬ হাজার মানুষকে ব্রিটেনে নিয়ে আসে, যা জনসংখ্যা বৃদ্ধির আরেকটি কারণ।