> রুমানা এখন কানাডায়, স্বপ্ন দেখছেন দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবার
> টরন্টোর স্কুলে নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া নিয়ে বিতর্ক
> চাকরী সম্পর্কে তথ্য দিতে নতুন ওয়েবসাইট করছে কানাডা সরকার
> রাস্তায় গাড়ী পার্কিং এর আগাম পারমিট ব্যবস্থা চালু হচ্ছে
> শিশুশিক্ষার ভিত্তি মজবুতে ইংল্যান্ডে নতুন উদ্যোগ
> প্রবাসী-আয়ে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি মাত্র ৬%
কালো টাকা ফেরাতে দিল্লির সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ কমিটি
নতুনদেশ ডটকম
বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত 'ব্ল্যাক মানি' বা কালো টাকার প্রশ্নে বিশেষ তদন্তদল (এসআইটি ) গঠন করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। এসব অর্থের হদিস পেতে এবং তা দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সরকার গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির (এইচএলসি ) কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে এ তদন্তদল। সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি জীবন রেড্ডিকে বিশেষ তদন্তদলের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডি ও এস এস নিজ্জরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের এক নির্দেশে গতকাল সোমবার এ তদন্তদল গঠন করা হয়।
কালো টাকা ফেরত আনার ব্যাপারে সরকারের আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। এইচএলসির কার্যকলাপে অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত বলেন, 'এ ব্যাপারে সরকারের তৎপরতায় 'মারাত্মক ঘাটতি' রয়েছে।' তদন্ত প্রক্রিয়ায় 'মারাত্মক ত্রুটিবিচ্যুতি' রয়েছে বলে আদালত মত দেন।
বিদেশ থেকে কালো টাকা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে নির্দেশনা চেয়ে বিশিষ্ট আইনজীবী রাম জেথমালানিসহ কয়েকজন আদালতে আবেদন করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এসআইটি গঠনসহ সরকারকে আরো তৎপর হওয়ার তাগিদ দেন সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে আবেদনকারী জেথমালানি বলেন, 'এ রায় সরকারের গালে চপেটাঘাত।'
ধারণা করা হয়, বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে ভারতের অনেক ধনকুবের ও শিল্পগোষ্ঠীর ৫০ হাজার কোটি থেকে এক লাখ ৪০ হাজার কোটি ডলার পর্যন্ত অর্থ গচ্ছিত রয়েছে। অপ্রদর্শিত এ অর্থের সন্ধান পেতে এবং তা ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। সরকারের দাবি, তাদের আন্তরিকতায় কোনো ত্রুটি নেই। সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। তবে আইনগত বাধা ও অনেক দেশের সঙ্গে কর -তথ্য বিনিময় চুক্তি না থাকায় তদন্তকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
কালো টাকার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে আদালত বলেন, 'অবৈধ ও দেশবিরোধী কাজে এ অর্থ ব্যবহৃত হতে পারে।' সরকারের তদন্তকাজের অংশ হিসেবে কোনো কোনো ব্যক্তিকে এখন পর্যন্ত 'কারণ দর্শাও' নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তাদের নাম প্রকাশেরও নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।
এসআইটিকে সরকারের এইচএলসির কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করতেও সরকারকে আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট। এসআইটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক বিচারক এম বি শাহকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।