সেক্সুয়্যাল অ্যাসল্টের বিরুদ্ধেই কথা বলা দরকার

Sat, Oct 24, 2020 4:17 PM

সেক্সুয়্যাল অ্যাসল্টের বিরুদ্ধেই কথা বলা দরকার

শওগাত আলী সাগর: ১. বাংলাদেশের কি ধর্ষনের ঘটনা কমে গেছে? না কি ধর্ষনের খবর পরিবেশন কমেছে? কিংবা ধর্ষন নিয়ে কথা বলা আমরা কমিয়েছি?

২. আমরা অবশ্য এমনিতেই সব ধর্ষন নিয়ে কথা বলি না। কোনো কোনো ধর্ষন নিয়ে ‘গেলো গেলো’ বলে এতোটাই প্রতিক্রিয়া দেখাই যে- পৃথিবীটাই উচ্ছন্নে গেলো বলে বোধ হয়। আবার কোনো কোনো ধর্ষন নিয়ে একেবারেই কথা বলা পছন্দ করি না। আমরা আসলে ধর্ষনের বিরোধীতা করি না, কারা ঘটনাটা ঘটালো তাদের বিরোধীতা করি।

৩. আমি সবসময়ই বলি, ধর্ষন বন্ধে সামাজিক আন্দোলন দরকার। সেটি কেবল নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে মিছিল নিয়ে যা্ওয়ার মধ্যেই সীমিত না। এর বিরুদ্ধে জনমত গঠন, মানুষকে সচেতন করার জন্য নানা রকম পদক্ষেপ হতে পারে। তবে সামাজিক আন্দোলন আপনি করবেন কী না তার পূর্ব শর্ত হচ্ছে- অপরাধ এবং অপরাধী দুটোরই  বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া।’চুজ অ্যান্ড পিক’ করে সামাজিক সচেতনতা তৈরির আন্দোলন হবে না।

৪. পশ্চিমের অধিকাংশ দেশেই রেপ বা ধর্ষন নিয়ে আলাদা কোনো আইন নেই। আছে ‘সেক্সুয়্যাল অ্যাসল্ট’ এর আইন। শাস্তি পাওয়ার জন্য অঙ্গভঙ্গি করে বা মুখের কথায় অ্যাসল্ট করলেও সেই আইনের আওতায় পরতে হয়।রেপ এর সাথে ’পেনিট্রেশনে’র সম্পর্ক আছে।’সেক্সুয়্যাল অ্যাসল্ট’ এর আইনে শাস্তি পাওয়ার জন্য ’পেনিট্রেশন’ পর্যন্ত যা্ওয়ার কোনো দরকার নাই, অঙ্গভঙ্গি বা ‍মুখের কথায় হয়রানি করলে্ও আপনাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

৫.কেবল ধর্ষন নয়- সেক্সুয়্যাল অ্যাসল্ট এর বিরুদ্ধেই আসলে আমাদের কথা বলা দরকার।দেখা দরকার- আমি যা বলছি বা লিখছি সেটি কাউকে ‘অ্যাসল্ট’ করছে কী না।  

লেখক: শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
Designed & Developed by Tiger Cage Technology
উপরে যান