মারখাম হত্যাকান্ড: পুলিশ দ্রুত সাড়া দিলে বাবাকে বাঁচানো যেতো!

Wed, Jul 31, 2019 1:02 AM

মারখাম হত্যাকান্ড: পুলিশ দ্রুত সাড়া দিলে বাবাকে বাঁচানো যেতো!

নতুনদেশ ডটকম: পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিলে অন্তত বাবা মনিরুজ্জামানকে বাঁচানো যেতো বলে মন্তব্য করেছে মারখামের বাবা- মাসহ পরিবারের চারজনকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত মিনহাজ জামানের অনলাইন বন্ধুরা। টরন্টো সানকে তারা বলেছে, খবর পা্ওয়ার অন্তত ১৫ ঘন্টা পর পুলিশ মারখামের বাড়ীতে যায়। এই সময়ে আরো অনেক ঘটনাই ঘটতো পারতো্ বলেও  তারা মন্তব্য করে। তারা জানায়, শনিবার রাতে এই মর্মন্তুদ ঘটনা ঘটলেও  পুলিশ ওই বাড়ীতে গিয়েছে রোববার বিকেলে।

মিনহাজ রহমান নিজ বাড়ীতে বাবা- মাসহ চারজনকে হত্যা করার সময়েও  অনলাই গেমিং এ সক্রিয় ছিলো। অনলাইন গেমিং এর সঙ্গীদের সে ঘটনার কথা প্রথম জানায় এবং সেখানে  খুন হ্ওয়াদের ছবি প্রকাশ করে। সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন গেমিং এর বন্ধুদের কয়েকজন স্থানীয় পুলিশকে ঘটনাটা জানায়। তারা টরন্টো পুলিশকে ঘটনা জানিয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের পদক্ষেপ নেয়ার কথা বললে ও বাস্তবে তা ঘটেনি । অনলাইন গেমিং এ মিনহাজের বন্ধুর উদ্ধৃতি দিয়ে টরন্টো সান এই সব তথ্য জানিয়েছে। নাম প্রকাশ না করা এবং কোথায় বসবাস করে তা না জাননোর শর্তে মিনহাজের অনলাইন বন্ধুদের কয়েকজন টরন্টো সানের সঙ্গে কথা বলে।

 

প্রসঙ্গত, রোববার বিকেলে মারখামের একটি বাড়ী থেকে বাংলাদেশি একটি পরিবারের চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই হত্যার দায়ে পরিবারের একমাত্র সন্তান মিনহাজ জামানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মিনহাজের অনলাই বন্ধুরা টরন্টো সানকে জানিয়েছে, শনিবার রাতে হত্যাকান্ডগুলো ঘটেছে। মিনহাজ সেই সময় নিহতদের ছবি এবং ভিডিও  অনলাইন গেমিং ফোরামে প্রকাশ করে। সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুদের কয়েকজন স্থানীয় পুলিশকে ঘটনা জানায়।

অনলাইনের বন্ধুরা জানায়,শনিবার রাতে তিনজনকে হত্যার পর মিনহাজ ’আমি আমার বাবার  বাড়ী আসার অপেক্ষায় আছি’ বলে একটি পোষ্ট দেয়।

মিনহাজের অনলাইন বন্ধুরা জানায়, মিনহাজ যখন এই ম্যাসেজ পোষ্ট করে  তখনো তারা বাবা বেঁচে ছিলো। পুলিশ আমাদের কথাকে গুরুত্ব দিলে তাকে হয় তো মরতে হতো না।

তারা জানায়, তাদের একজন মিনহাজের সঙ্গে সারা রাত  চ্যাট করে গেছে যাতে তাকে ব্যস্ত রাখা যায়।

সাবেক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলো মিনহাজ:

বাবা মাসহ পরিবারের চারজনকে হত্যার পর অভিযুক্ত মিনহাজ জামান তার সাবেক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলো বলেও জানিয়েছে তার অনলাইন বন্ধুরা।  মিনহাজ তারা বাবা- মা কে হত্যার পর অনলাইনের সঙ্গীদের বলেছিলো, শেষ বারের মতো আমি আমার সাবেক বান্ধবীকে দেখতে যাবো।

তার অনলাইন বন্ধু জানায়, আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলাম। সে হয়তো তাকেও  মেরে ফেলবে।  মিনহাজ কখনোই তার বান্ধবীকে নিয়ে কোনো কথা বলেনি। তবে কোনো এক সময় তার বান্ধবী ছিলো এটা আমরা জানতাম।

অনলাইনে মিনহাজ জামানই যে চ্যাট করেছে- তা নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে প্রমান করা যায় নি।


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
Designed & Developed by Tiger Cage Technology
উপরে যান